Skip to main content

فَاِذَا قَضَيْتُمُ الصَّلٰوةَ فَاذْكُرُوا اللّٰهَ قِيَامًا وَّقُعُوْدًا وَّعَلٰى جُنُوْبِكُمْ ۚ فَاِذَا اطْمَأْنَنْتُمْ فَاَقِيْمُوا الصَّلٰوةَ ۚ اِنَّ الصَّلٰوةَ كَانَتْ عَلَى الْمُؤْمِنِيْنَ كِتٰبًا مَّوْقُوْتًا   ( النساء: ١٠٣ )

Then when
فَإِذَا
অতঃপর যখন
you (have) finished
قَضَيْتُمُ
তোমরা সমাপ্ত কর
the prayer
ٱلصَّلَوٰةَ
সলাত
then remember
فَٱذْكُرُوا۟
তোমরা তখন স্মরণ কর
Allah
ٱللَّهَ
আল্লাহকে
standing
قِيَٰمًا
দাঁড়িয়ে
and sitting
وَقُعُودًا
ও বসে
and (lying) on
وَعَلَىٰ
ও উপর
your sides
جُنُوبِكُمْۚ
তোমাদের পাশগুলোর (অর্থাৎ শুয়ে)
But when
فَإِذَا
যখন অতঃপর
you are secure
ٱطْمَأْنَنتُمْ
তোমরা নিরাপদ হও
then establish
فَأَقِيمُوا۟
তোমরা তখন কায়েম কর
the (regular) prayer
ٱلصَّلَوٰةَۚ
সলাত
Indeed
إِنَّ
নিশ্চয়ই
the prayer
ٱلصَّلَوٰةَ
সলাত
is
كَانَتْ
হলো
on
عَلَى
উপর
the believers
ٱلْمُؤْمِنِينَ
মু'মিনদের
prescribed
كِتَٰبًا
ফরজ
(at) fixed times
مَّوْقُوتًا
নির্দিষ্ট সময়ে

তাফসীর তাইসীরুল কুরআন (Taisirul Quran):

যখন তোমরা নামায আদায় করে নেবে, তখন দাঁড়িয়ে, বসে, শুয়ে আল্লাহকে স্মরণ করবে, অতঃপর যখন তোমরা নিরাপদ হবে তখন (যথানিয়মে) নামায কায়িম করবে। নির্দিষ্ট সময়ে নামায কায়িম করা মু’মিনদের জন্য অবশ্য কর্তব্য।

English Sahih:

And when you have completed the prayer, remember Allah standing, sitting, or [lying] on your sides. But when you become secure, re-establish [regular] prayer. Indeed, prayer has been decreed upon the believers a decree of specified times.

1 Tafsir Ahsanul Bayaan

তারপর যখন তোমরা নামায শেষ করবে, তখন দাঁড়িয়ে, বসে এবং শুয়ে আল্লাহকে স্মরণ কর।[১] অতঃপর যখন তোমরা নিরাপদ হবে, তখন যথাযথভাবে নামায পড়। [২] নিশ্চয় নামাযকে বিশ্বাসীদের জন্য নির্ধারিত সময়ে অবশ্য কর্তব্য করা হয়েছে। [৩]

[১] উক্ত ভয়ের নামাযকেই বুঝানো হয়েছে। এ নামাযকে যেহেতু কমিয়ে হালকা করে দেওয়া হয়েছে তাই এই ঘাটতি পূরণের জন্য বলা হচ্ছে যে, দাঁড়িয়ে, বসে ও শায়িত অবস্থায় আল্লাহর যিকর করতে থেকো।

[২] অর্থাৎ, ভয় ও যুদ্ধ-অবস্থার পরিসমাপ্তি ঘটলে, নামাযকে তার পূর্বের নিয়মে পড়বে যেভাবে স্বাভাবিক অবস্থায় পড়া হয়।

[৩] এতে নামাযকে তার যথানির্ধারিত সময়ে পড়ার তাকীদ করা হয়েছে। এ থেকে প্রতীয়মান হয় যে, কোন শরয়ী ওজর ছাড়া দুই নামাযকে একত্রে (জমা করে) পড়া শুদ্ধ নয়। কেননা, (একত্রে পড়লে) কম-সে কম একটি নামাযকে তার সময় ছাড়াই পড়া হবে যা এই আয়াতের পরিপন্থী।