Skip to main content

وَمَا اخْتَلَفْتُمْ فِيْهِ مِنْ شَيْءٍ فَحُكْمُهٗٓ اِلَى اللّٰهِ ۗذٰلِكُمُ اللّٰهُ رَبِّيْ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُۖ وَاِلَيْهِ اُنِيْبُ   ( الشورى: ١٠ )

And whatever
وَمَا
এবং যা
you differ
ٱخْتَلَفْتُمْ
তোমরা মতভেদ করো
in it
فِيهِ
সেক্ষেত্রে
of
مِن
কোনো
a thing
شَىْءٍ
কিছু
then its ruling
فَحُكْمُهُۥٓ
তার অতঃপর মীমাংসা (হবে)
(is) to
إِلَى
কাছে
Allah
ٱللَّهِۚ
আল্লাহ্‌র
That
ذَٰلِكُمُ
তিনিই
(is) Allah
ٱللَّهُ
আল্লাহ-ই
my Lord
رَبِّى
আমার রব
upon Him
عَلَيْهِ
তাঁর উপর
I put my trust
تَوَكَّلْتُ
আমি নির্ভর করি
and to Him
وَإِلَيْهِ
এবং তাঁরই দিকে
I turn
أُنِيبُ
মুখ ফিরিয়েছি আমি

তাফসীর তাইসীরুল কুরআন (Taisirul Quran):

তোমরা যে সব বিষয়ে মতভেদ কর তার মীমাংসা আল্লাহর উপর সোপর্দ. সেই আল্লাহই আমার প্রতিপালক, আমি তাঁর উপরই নির্ভর করি, আর তাঁরই অভিমুখী হই।

English Sahih:

And in anything over which you disagree – its ruling is [to be referred] to Allah. [Say], "That is Allah, my Lord; upon Him I have relied, and to Him I turn back."

1 Tafsir Ahsanul Bayaan

তোমরা যে বিষয়েই মতভেদ কর না কেন -- ওর মীমাংসা তো আল্লাহরই নিকট।[১] বল, ‘তিনিই আল্লাহ -- আমার প্রতিপালক; আমি ভরসা রাখি তাঁরই ওপর এবং আমি তাঁরই অভিমুখী।’

[১] এখানে 'মতভেদ' বলতে দ্বীনের মতভেদ বুঝানো হয়েছে। যেভাবে ইয়াহুদী, খ্রীষ্টান, ইসলাম ইত্যাদি ধর্মের মধ্যে পরস্পর বহু বিরোধ রয়েছে এবং সকল ধর্মের অনুসারীরা দাবী করে যে, তাদের ধর্মই সত্য। অথচ সমস্ত ধর্ম একই সময়ে সত্য হতে পারে না। সত্য ধর্ম তো কেবল একটা এবং একটাই হতে পারে। দুনিয়াতে সত্য দ্বীন এবং সত্য পথ চেনার জন্য মহান আল্লাহর বাণী কুরআন বিদ্যমান। কিন্তু দুনিয়াতে মানুষ আল্লাহর সেই বাণীকে নিজের বিচারক এবং সালিস মানতে প্রস্তুত নয়। তাই পরিশেষে কিয়ামতের দিনই থেকে যায়, যেদিনে মহান আল্লাহ যাবতীয় মতবিরোধের ফায়সালা করবেন এবং সত্যাশ্রয়ীদেরকে জান্নাতে ও অন্যদেরকে জাহান্নামে প্রবেশ করাবেন।