Skip to main content

সূরা আল আ'রাফ শ্লোক 104

وَقَالَ
এবং বললো
مُوسَىٰ
মূসা
يَٰفِرْعَوْنُ
"হে ফিরআউন
إِنِّى
নিশ্চয়ই আমি
رَسُولٌ
একজন রাসূল
مِّن
পক্ষ হতে
رَّبِّ
রবের
ٱلْعَٰلَمِينَ
বিশ্বজগতের

তাফসীর তাইসীরুল কুরআন:

মূসা বলেছিল, হে ফির‘আওন! আমি বিশ্বজগতের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে প্রেরিত রসূল।

1 আহসানুল বায়ান | Tafsir Ahsanul Bayaan

মূসা বলল, ‘হে ফিরআউন! আমি বিশ্ব প্রতিপালকের নিকট হতে প্রেরিত (রসূল)।

2 আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া | Tafsir Abu Bakr Zakaria

আর মূসা বললেন, ‘হে ফির’আউন [১]! নিশ্চয় আমি সৃষ্টিকুলের রবের কাছ থেকে প্রেরিত।’

[১] মিসরীয় শাসকরা শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হবার পর প্রত্যেকটি শাসক নিজেদের জন্য “ফিরআউন” (ফারাও) উপাধি গ্রহণ করে দেশবাসীর সামনে একথা প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করেছে যে, আমি-ই তোমাদের প্রধান রব বা মহাদেব। পরবর্তীতে ফিরআউন শব্দটি অহংকারী দাম্ভিক অর্থে ব্যবহৃত হতে থাকে। কেউ যদি অহংকারী ও দাম্ভিকতা প্রদর্শন করে তখন বলা হয়, (تَفَرْعَنَ فُلَانٌ) বা অমুক দাম্ভিকতা, অহংকার ও সীমালঙ্ঘনের চুড়ান্ত পর্যায়ে উপনীত হয়েছে। [কাশশাফ] কোন কোন মুফাসসির বলেন, প্রত্যেক চক্রান্তকারী ও ষড়যন্ত্রকারীকে (تَفَرْعَنَ) বলা হয়। [ফাতহুল কাদীর]

3 আল-বায়ান ফাউন্ডেশন | Tafsir Bayaan Foundation

মূসা বলল, ‘হে ফির‘আউন, আমি তো সকল সৃষ্টির রবের পক্ষ থেকে রাসূল।’

4 মুহিউদ্দীন খান | Muhiuddin Khan

আর মূসা বললেন, হে ফেরাউন, আমি বিশ্ব-পালনকর্তার পক্ষ থেকে আগত রসূল।

5 জহুরুল হক | Zohurul Hoque

আর মূসা বললেন -- ''হে ফিরআউন, নিঃসন্দেহ আমি বিশ্বজগতের প্রভুর তরফ থেকে একজন রসূল, --