Skip to main content

সূরা আল আ'রাফ শ্লোক 115

قَالُوا۟
তারা বললো
يَٰمُوسَىٰٓ
"হে মূসা
إِمَّآ
হয়তো
أَن
যে
تُلْقِىَ
তুমি ছুঁড়বে
وَإِمَّآ
আর নয়তো
أَن
যে
نَّكُونَ
আমরা হবো
نَحْنُ
আমরা
ٱلْمُلْقِينَ
নিক্ষেপকারী"

তাফসীর তাইসীরুল কুরআন:

তারা বলল, ‘হে মূসা! তুমিই কি (প্রথমে যাদু) ছুঁড়বে, না আমরাই ছুঁড়ব?’

1 আহসানুল বায়ান | Tafsir Ahsanul Bayaan

তারা বলল, ‘হে মূসা! তুমিই (প্রথমে) নিক্ষেপ করবে, না আমরাই নিক্ষেপ করব?’ [১]

[১] যাদুকরেরা এই এখতিয়ার নিজেদের আত্মবিশ্বাসের ফলেই দিয়েছিল। তাদের পূর্ণ বিশ্বাস ছিল যে, আমাদের যাদুর মুকাবিলায় মূসার মু'জিযা কিছুই নয়; যাকে তারা একটি যাদুই মনে করেছিল। যদি মূসাকে আগেই নিজের যাদু দেখানোর সুযোগ দেওয়া যায়, তাহলেও এমন কোন পার্থক্য নেই। আমরা তো তার যাদুকে শেষ পর্যন্ত নিশ্চিহ্ন করেই ফেলব।

2 আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া | Tafsir Abu Bakr Zakaria

তারা বলল, ‘হে মূসা! তুমিই কি নিক্ষেপ করবে, না আমরাই নিক্ষেপ করব [১]?’

[১] অর্থাৎ প্রতিদ্বন্দিতার জন্য যখন মাঠে গিয়ে সবাই উপস্থিত, তখন জাদুকররা মূসা ‘আলাইহিস্‌ সালামকে বললঃ হয় আপনি প্রথমে নিক্ষেপ করুন অথবা আমরা প্রথম নিক্ষেপ করি। সম্ভবত তারা নিজেদের নিশ্চয়তা ও শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশ করার জন্যই তা বলেছিল। উদ্দেশ্য যেন এই যে, এ ব্যাপারে আমাদের কোন পরোয়াই নেই, যে ইচ্ছা প্রথমে তার কর্মকাণ্ড প্রদর্শন করুক। মূসা ‘আলাইহিস্‌ সালাম তাদের উদ্দেশ্য উপলব্ধি করে নিয়ে নিজের মু’জিযা সম্পর্কে আশ্বস্ততার দরুন প্রথম তাদেরকেই সুযোগ দিলেন। বললেন, “তোমরাই প্রথমে নিক্ষেপ কর”। কারণ, তাদের কর্মকাণ্ডের পর মু’জিযা বের হলে সেটা তাদের অন্তরে কঠোরভাবে রেখাপাত করতে বাধ্য হবে। [ইবন কাসীর; সা’দী]

3 আল-বায়ান ফাউন্ডেশন | Tafsir Bayaan Foundation

তারা বলল, ‘হে মূসা, হয় তুমি নিক্ষেপ করবে, নয়তো আমরাই নিক্ষেপ করব।’

4 মুহিউদ্দীন খান | Muhiuddin Khan

তারা বলল, হে মূসা! হয় তুমি নিক্ষেপ কর অথবা আমরা নিক্ষেপ করছি।

5 জহুরুল হক | Zohurul Hoque

তারা বললে -- ''হে মূসা! তুমি কি নিক্ষেপ করবে, না আমরাই হবো নিক্ষেপকারী?