Skip to main content

সূরা মুযযামমিল শ্লোক 2

قُمِ
উঠো
ٱلَّيْلَ
রাতে (ইবাদত করো)
إِلَّا
ব্যতীত
قَلِيلًا
কিছু অংশ

তাফসীর তাইসীরুল কুরআন:

রাতে নামাযে দাঁড়াও তবে (রাতের) কিছু অংশ বাদে,

1 আহসানুল বায়ান | Tafsir Ahsanul Bayaan

রাত্রি জাগরণ কর, কিছু অংশ ব্যতীত।

2 আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া | Tafsir Abu Bakr Zakaria

রাতে সালাতে দাঁড়ান [১] , কিছু অংশ ছাড়া

[১] এখানে বিশেষভঙ্গিতে সম্বোধন করে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে তাহাজ্জুদের আদেশ করা হয়েছে। বিভিন্ন বর্ণনা থেকে বোঝা যায় যে, আলোচ্য আয়াতসমূহ ইসলামের শুরুতে এবং কুরআন অবতরণের প্রাথমিক যুগে অবতীর্ণ হয়েছে। তখন পর্যন্ত পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরয ছিল না। পাঁচ ওয়াক্ত সালাত মে‘রাজের রাত্ৰিতে ফরয হয়েছিল। এই আয়াতে তাহাজ্জুদের সালাত কেবল ফরযই করা হয়নি; বরং তাতে রাত্রির কমপক্ষে এক চতুর্থাংশ মশগুল থাকাও ফরয করা হয়েছে। আয়াতের মূল আদেশ হচ্ছে কিছু অংশ বাদে সমস্ত রাত্রি সালাতে মশগুল থাকা। এই আদেশ পালনার্থে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও সাহাবায়ে কেরাম অধিকাংশ রাত্রি তাহাজ্জুদের সালাতে ব্যয় করতেন। ফলে তাদের পদদ্বয় ফুলে যায় এবং আদেশটি বেশ কষ্টসাধ্য প্রতীয়মান হয়। পূর্ণ এক বছর পর এই সূরার শেষাংশ فَاقْرَءُوْاٰمَاتَيَسَّرَ مِنْهُ অবতীর্ণ হলে দীর্ঘক্ষণ সালাতে দন্ডায়মান থাকার বাধ্যবাধকতা রহিত করে দেয়া হয় এবং বিষয়টি ইচ্ছার উপর ছেড়ে দিয়ে ব্যক্ত করা হয় যে, যতক্ষণ সালাত আদায় করা সহজ মনে হয়, ততক্ষণ সালাত আদায় করাই তাহাজ্জুদের জন্যে যথেষ্ট। [ইমাম মুসলিম এই বিষয়বস্তু আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণনা করেন, হাদীস নং; ৭৪৬]

3 আল-বায়ান ফাউন্ডেশন | Tafsir Bayaan Foundation

রাতে সালাতে দাঁড়াও কিছু অংশ ছাড়া।

4 মুহিউদ্দীন খান | Muhiuddin Khan

রাত্রিতে দন্ডায়মান হোন কিছু অংশ বাদ দিয়ে;

5 জহুরুল হক | Zohurul Hoque

তুমি উঠে দাঁড়াও রাতেরবেলা অল্পসময় ব্যতীত, --