Skip to main content

সূরা আত তাওবাহ শ্লোক 62

يَحْلِفُونَ
তারা শপথ করে
بِٱللَّهِ
নামে আল্লাহর
لَكُمْ
জন্যে তোমাদের
لِيُرْضُوكُمْ
যেন খুশি করতে পারে তোমাদেরকে
وَٱللَّهُ
এবং আল্লাহ
وَرَسُولُهُۥٓ
ও রাসূল তাঁর
أَحَقُّ
অধিকযোগ্য
أَن
যে
يُرْضُوهُ
তাকে সন্তুষ্ট করবে তারা
إِن
যদি
كَانُوا۟
তারা হয়
مُؤْمِنِينَ
মু'মিন

তাফসীর তাইসীরুল কুরআন:

তোমাদেরকে খুশি করার জন্য তারা তোমাদের সামনে আল্লাহর নামে কসম করে। তারা যদি মু’মিন হয়ে থাকে তবে কাউকে খুশি করতে চাইলে আল্লাহ ও তাঁর রসূলই এর সবচেয়ে বেশি হকদার।

1 আহসানুল বায়ান | Tafsir Ahsanul Bayaan

তোমাদেরকে সন্তুষ্ট করার জন্য তারা তোমাদের কাছে আল্লাহর শপথ করে থাকে। অথচ আল্লাহ ও তাঁর রসূল হচ্ছেন বেশী হকদার (এই বিষয়ে) যে, তারা যেন তাঁকে সন্তুষ্ট করে; যদি তারা বিশ্বাসী হয়ে থাকে।

2 আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া | Tafsir Abu Bakr Zakaria

তারা তোমাদেরকে সন্তষ্ট করার জন্য তোমাদের কাছে আল্লাহ্‌র শপথ করে [১]। অথচ আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূলই এর বেশি হকদার যে, তারা তাঁদেরকেই সন্তুষ্ট করবে [২], যদি তারা মুমিন হয়।

[১] কাতাদা বলেন, মুনাফিকদের এক লোক বলেছিল যে, যদি মুহাম্মদ যা বলে তা সত্য হয় তবে তারা গাধার চেয়েও অধম ৷ একথা শুনে মুসলিমদের এক ব্যক্তি বলল যে, আল্লাহর শপথ, মুহাম্মাদ যা বলে তা সত্য, আর তুমি গাধার চেয়েও অধম। মুসলিম লোকটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে ঘটনাটি জানাল। তিনি মুনাফিকটিকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন যে, এ কথাটি তুমি কেন বলেছ? সে লা'নত দিতে লাগল এবং আল্লাহর নামে শপথ করে বলল যে, সে তা বলেনি। তখন মুসলিম লোকটি বলল, হে আল্লাহ! আপনি সত্যবাদীকে সত্যায়ন করুন আর মিথ্যাবাদীকে মিথ্যাবাদী সাব্যস্ত করুন। তখন এ আয়াত নাযিল হয়। [ইবন কাসীর]

[২] অর্থাৎ তারা তোমাদেরকে আল্লাহর নামে শপথ করে সন্তুষ্ট করতে চায়। অথচ তাদের উচিত ঈমান এনে আল্লাহ ও তার রাসূলকে সন্তুষ্ট করবে। [মুয়াসসার] কারণ একজন মুমিনের একমাত্র উদ্দেশ্য থাকে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে সন্তুষ্ট করা। মুমিন এর উপর অন্য কিছুকে প্রাধান্য দেয় না। তারা যেহেতু সেটা করছে না সেহেতু প্রমাণিত হলো যে, তারা ঈমানদার নয়। [সা'দী]

3 আল-বায়ান ফাউন্ডেশন | Tafsir Bayaan Foundation

তারা তোমাদের কাছে আল্লাহর কসম করে, যাতে তোমাদেরকে সন্তুষ্ট করতে পারে, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল অধিক হকদার যে, তারা তাকে সন্তুষ্ট করবে, যদি তারা ঈমানদার হয়ে থাকে।

4 মুহিউদ্দীন খান | Muhiuddin Khan

তোমাদের সামনে আল্লাহর কসম খায় যাতে তোমাদের রাযী করতে পারে। অবশ্য তারা যদি ঈমানদার হয়ে থাকে, তবে আল্লাহকে এবং তাঁর রসূলকে রাযী করা অত্যন্ত জরুরী।

5 জহুরুল হক | Zohurul Hoque

তারা তোমাদের কাছে আল্লাহ্‌র নামে হলফ করে যেন তারা তোমাদের খুশী করতে পারে, অথচ আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলের বেশী অধিকার আছে যেন তারা তাঁকে রাজী করে, যদি তারা মুমিন হয়।