Skip to main content

সূরা বনী ইসরাঈল শ্লোক 102

قَالَ
সে বলেছিলো
لَقَدْ
"নিশ্চয়ই
عَلِمْتَ
তুমি জেনেছো
مَآ
না
أَنزَلَ
অবতীর্ণ করেছেন
هَٰٓؤُلَآءِ
(অন্য কেউ) এসব
إِلَّا
কিন্তু
رَبُّ
রব
ٱلسَّمَٰوَٰتِ
আকাশসমূহের
وَٱلْأَرْضِ
ও পৃথিবীর
بَصَآئِرَ
প্রত্যক্ষ প্রমাণ হিসেবে
وَإِنِّى
এবং নিশ্চয়ই আমি
لَأَظُنُّكَ
অবশ্যই মনে করি আমি তোমাকে
يَٰفِرْعَوْنُ
হে ফিরআউন
مَثْبُورًا
(ধ্বংসকৃত) হতভাগ্য"

তাফসীর তাইসীরুল কুরআন:

মূসা বলল, ‘তুমি তো জান যে, এসব চোখ-খুলে-দেয়া নিদর্শন আসমানসমূহ ও যমীনের প্রতিপালক ছাড়া অন্য কেউ অবতীর্ণ করেনি, হে ফির‘আওন! আমি তো তোমাকে মনে করি এক ধ্বংসপ্রাপ্ত লোক।’

1 আহসানুল বায়ান | Tafsir Ahsanul Bayaan

মূসা বলেছিল, ‘তুমি অবশ্যই অবগত আছ যে, এই সমস্ত স্পষ্ট নিদর্শনাবলী আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর প্রতিপালকই অবতীর্ণ করেছেন প্রত্যক্ষ প্রমাণ স্বরূপ; হে ফিরআউন! আমি তো দেখছি যে, তুমি ধ্বংস হয়ে গেছ।’

2 আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া | Tafsir Abu Bakr Zakaria

মূসা বললেন, তুমি অবশ্যই জান [১] যে ,এ সব স্পষ্ট নিদর্শন আসমানসমূহ ও যমীনের রবই নাযিল করেছেন---প্রত্যক্ষ প্রমাণসরূপ। আর হে ফির’আউন! আমি তো মনে করছি তুমি হবে ধ্বংসপ্রাপ্ত।

[১] এখানে ফির’আউনকে বলা হচ্ছে যে, মূসা আলাইহিসসালাম যা কিছু নিয়ে এসেছেন তা রাব্ববুল আলামীনই যে নাযিল করেছেন তা সে জানে”। এভাবে কুরআনের অন্য আয়াতেও তাই বলা হয়েছে, যেমন, সূরা আন-নামলে বলা হয়েছে, “তারা অন্যায় ও উদ্ধতভাবে নিদর্শনগুলো প্রত্যাখ্যান করল, যদিও তাদের অন্তর এগুলোকে সত্য বলে গ্রহণ করেছিল। দেখুন, বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদের পরিণাম কেমন হয়েছিল!” [১৪] এতে করে একথা স্পষ্ট হলো যে, ফির’আউন অবশ্যই আল্লাহর অস্তিত্ব সম্পর্কে অবগত ছিল কিন্তু সে তা অহংকার বশতঃ অস্বীকার করেছিল।

3 আল-বায়ান ফাউন্ডেশন | Tafsir Bayaan Foundation

সে বলল, ‘তুমি জান যে, এ সকল বিষয় কেবল আসমানসমূহ ও যমীনের রবই নাযিল করেছেন প্রত্যক্ষ প্রমাণ হিসেবে। আর হে ফির‘আউন, আমি তো ধারণা করি তুমি ধ্বংসপ্রাপ্ত।

4 মুহিউদ্দীন খান | Muhiuddin Khan

তিনি বললেনঃ তুমি জান যে, আসমান ও যমীনের পালনকর্তাই এসব নিদর্শনাবলী প্রত্যক্ষ প্রমাণস্বরূপ নাযিল করেছেন। হে ফেরাউন, আমার ধারণায় তুমি ধ্বংস হতে চলেছো।

5 জহুরুল হক | Zohurul Hoque

তিনি বললেন -- ''তুমি নিশ্চয়ই জান যে মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর প্রভুর ব্যতিরেকে অন্য কেউ এইসব নিদর্শন পাঠান নি, আর আমি তো তোমাকেই, হে ফিরআউন! মনে করি বিনাশপ্রাপ্ত।’’