Skip to main content

সূরা ত্বোয়া-হা শ্লোক 51

قَالَ
সে বললো
فَمَا
"তাহ'লে কি (হবে)
بَالُ
অবস্থা
ٱلْقُرُونِ
শত শত বছরের বংশধরদের
ٱلْأُولَىٰ
পূর্বের"

তাফসীর তাইসীরুল কুরআন:

ফেরাউন বলল, ‘তাহলে আগের যুগের লোকেদের অবস্থা কী?’

1 আহসানুল বায়ান | Tafsir Ahsanul Bayaan

ফিরআউন বলল, ‘তা হলে অতীত যুগের লোকদের অবস্থা কি?’ [১]

[১] ফিরআউন কথার মোড় অন্য দিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য এই প্রশ্নটি করেছিল। অর্থাৎ অতীত কালের লোকেরা যারা আল্লাহ ছাড়া অন্যের ইবাদত করেই পৃথিবী হতে বিদায় নিয়েছে, তাদের অবস্থা কি হবে?

2 আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া | Tafsir Abu Bakr Zakaria

ফির’আউন বলল, ‘তাহলে অতীত যুগের লোকদের অবস্থা কী [১]?’

[১] অর্থাৎ ব্যাপার যদি এটাই হয়ে থাকে যে, যিনি প্রত্যেকটি জিনিসকে আকৃতি দিয়েছেন এবং তাকে দুনিয়ায় কাজ করার পথ বাতলে দিয়েছেন তিনি ছাড়া আর দ্বিতীয় কোন রব নেই, তাহলে এ আমাদের সবার বাপ দাদারা, যারা বংশ পরস্পরায় ভিন্ন প্ৰভু ও ইলাহর বন্দেগী করে চলে এসেছে তোমাদের দৃষ্টিতে তাদের অবস্থান কোথায় হবে? তারা সবাই কি গোমরাহ ছিল? তারা সবাই কি আযাবের হকদার হয়ে গেছে? এ ছিল ফির’আউনের কাছে মূসার এ যুক্তির জবাব। হতে পারে সে আসলেই তার পূর্বপুরুষদের ব্যাপারে জানতে চেয়েছিল। [ইবন কাসীর] অথবা ফির’আউন আগের প্রশ্নের উত্তরে হতবাক হয়ে প্রসঙ্গ পাল্টানোর জন্য এ প্রশ্ন করেছিল। [ফাতহুল কাদীর] অথবা সে নিজের সভাসদ ও সাধারণ মিসরবাসীদের মনে মূসার দাওয়াতের বিরুদ্ধে ঘৃণা ও বিদ্বেষ সঞ্চার করাও এর উদ্দেশ্য হতে পারে। সে মূসা আলাইহিসসালামের বিরুদ্ধে লোকদের ক্ষেপিয়ে তুলতে চাচ্ছিল। কারণ, মানুষ তাদের পিতামাতার ব্যাপারে যখন এটা শুনবে যে, তারা জাহান্নামে গেছে, তখন তারা মূসা আলাইহিসসালামের বিরুদ্ধে জোট করতে দ্বিধা করবে না।

3 আল-বায়ান ফাউন্ডেশন | Tafsir Bayaan Foundation

ফির‘আউন বলল, ‘তাহলে অতীত যুগের লোকদের অবস্থা কী’?

4 মুহিউদ্দীন খান | Muhiuddin Khan

ফেরাউন বললঃ তাহলে অতীত যুগের লোকদের অবস্থা কি?

5 জহুরুল হক | Zohurul Hoque

সে বললে -- ''তাহলে পূর্ববর্তী লোকদের অবস্থা কি হবে?’’