Skip to main content

সূরা ইয়াসীন শ্লোক 19

قَالُوا۟
(রাসূলগণ) বললেন
طَٰٓئِرُكُم
"তোমাদের অমঙ্গলের (কারণ)
مَّعَكُمْۚ
তোমাদের সাথে
أَئِن
(এসব বলছো) কি
ذُكِّرْتُمۚ
তোমাদের উপদেশ দেওয়া হয়েছে
بَلْ
বরং
أَنتُمْ
তোমরা
قَوْمٌ
সম্প্রদায়
مُّسْرِفُونَ
সীমালঙ্ঘনকারী"

তাফসীর তাইসীরুল কুরআন:

রসূলগণ বলল- তোমাদের অমঙ্গলের কারণ তোমাদের সাথেই আছে (আর তা হল তোমাদের অপকর্ম)। তোমাদেরকে নসীহত করা হলেই কি (সেটাকে তোমরা তোমাদের অমঙ্গলের কারণ মনে কর)? আসলে তোমরা হচ্ছ এক সীমালঙ্ঘনকারী জাতি।

1 আহসানুল বায়ান | Tafsir Ahsanul Bayaan

তারা বলল, ‘তোমাদের অমঙ্গল তোমাদের সঙ্গেই।[১] এ কি এ জন্য যে, তোমাদেরকে উপদেশ দেওয়া হচ্ছে? বরং তোমরা এক সীমালংঘনকারী সম্প্রদায়।’

[১] অর্থাৎ, ওটা তো তোমাদের স্বকৃত পাপকর্মের ফল, যা তোমাদের সঙ্গেই আছে, আমাদের সঙ্গে নয়।

2 আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া | Tafsir Abu Bakr Zakaria

তারা বললেন, তোমাদের অমঙ্গল তোমাদেরই সাথে [১]; এটা কি এজন্যে যে, তোমাদেরকে উপদেশ দেওয়া হচ্ছে [২]? বরং তোমরা এক সীমালঙ্ঘনকারী সম্প্রদায়।

[১] যেমন অন্য আয়াতে বলা হয়েছে, “প্রত্যেক ব্যক্তির কল্যাণ ও অকল্যাণের পরোয়ানা আমি তার গলায় ঝুলিয়ে দিয়েছি।” [সূরা আল-ইসরা;১৩]

[২] অর্থাৎ তোমাদেরকে আল্লাহ সম্পপর্কে উপদেশ দেয়াতে, আল্লাহর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়াতেই কি তোমরা আমাদের অলক্ষুণে মনে করছ? তোমরা তো সীমালঙ্ঘনকারী সম্প্রদায়। [তাবারী]

3 আল-বায়ান ফাউন্ডেশন | Tafsir Bayaan Foundation

তারা বলল, তোমাদের অমঙ্গলের কারণ তোমাদের সাথেই। তোমাদেরকে উপদেশ দেয়া হয়েছে বলেই কি এরূপ বলছ? বরং তোমরা সীমালঙ্ঘনকারী কওম’।

4 মুহিউদ্দীন খান | Muhiuddin Khan

রসূলগণ বলল, তোমাদের অকল্যাণ তোমাদের সাথেই! এটা কি এজন্যে যে, আমরা তোমাদেরকে সদুপদেশ দিয়েছি? বস্তুতঃ তোমরা সীমা লংঘনকারী সম্প্রদায় বৈ নও।

5 জহুরুল হক | Zohurul Hoque

তাঁরা বললেন, ''তোমাদের পাখিগুলো তোমাদের সঙ্গেই রয়েছে। তোমাদের তো স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়েছে! বস্তুতঃ তোমরা হচ্ছ অমিতাচারী জাতি।