Skip to main content

بَلْ رَّفَعَهُ اللّٰهُ اِلَيْهِ ۗوَكَانَ اللّٰهُ عَزِيْزًا حَكِيْمًا  ( النساء: ١٥٨ )

Nay
بَل
বরং
he was raised
رَّفَعَهُ
তাকে উঠিয়ে নেন
(by) Allah
ٱللَّهُ
আল্লাহ
towards Him
إِلَيْهِۚ
তাঁর দিকে
And is
وَكَانَ
এবং হলেন
Allah
ٱللَّهُ
আল্লাহ
All-Mighty
عَزِيزًا
পরাক্রমশালী
All-Wise
حَكِيمًا
প্রজ্ঞাময়

তাফসীর তাইসীরুল কুরআন (Taisirul Quran):

বরং আল্লাহ তাকে নিজের কাছে উঠিয়ে নিয়েছেন, আর আল্লাহ হলেন মহাপরাক্রমশালী, মহাবিজ্ঞানী।

English Sahih:

Rather, Allah raised him to Himself. And ever is Allah Exalted in Might and Wise.

1 Tafsir Ahsanul Bayaan

বরং আল্লাহ তাকে তাঁর নিকট তুলে নিয়েছেন[১] এবং আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।[২]

[১] এই আয়াত দ্বারা সুস্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে, আল্লাহ তাআলা নিজের অলৌকিক শক্তি দ্বারা ঈসা (আঃ)-কে জীবিত অবস্থায় সশরীরে আসমানে তুলে নিয়েছেন। বহুধা সূত্রে বর্ণিত হাদীসেও এ কথা প্রমাণিত আছে। এ সকল হাদীস হাদীসের সমস্ত গ্রন্থ ছাড়াও বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে। সে সব হাদীসে ঈসা (আঃ)-কে আসমানে তুলে নেওয়া ছাড়াও পুনরায় প্রলয় দিবসের প্রাক্কালে পৃথিবীতে তাঁর অবতরণ এবং আরো বহু কথা তাঁর ব্যাপারে উল্লেখ করা হয়েছে। ইমাম ইবনে কাসীর (রহঃ) এই সমস্ত হাদীসগুলিকে বর্ণনা করার পর শেষে লিখেছেন যে, উল্লিখিত হাদীসগুলি রসূল (সাঃ) হতে বহুধা সূত্রে প্রমাণিত। এই হাদীসগুলির বর্ণনাকারীগণ হলেনঃ আবু হুরাইরাহ, আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ, উসমান বিন আবুল আ'স, আবু উমামা, নাওয়াস বিন সামআন, আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন আ'স, মুজাম্মে' বিন জারিয়াহ, আবূ সারীহাহ এবং হুযাইফা বিন উসায়েদ (রাঃ) প্রমুখ সাহাবাবৃন্দ। এই সমস্ত হাদীসে তিনি কোথায় ও কিভাবে অবতরণ করবেন তা উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি দিমাশকের মিনারা শারক্বিয়াতে ফজরের নামাজের ইকামতের সময় অবতরণ করবেন। তিনি শূকর হত্যা করবেন, ক্রুস ভেঙ্গে ফেলবেন ও জিযিয়া কর বাতিল করে দিবেন। তাঁর শাসনামলে পৃথিবীর সমস্ত মানুষ মুসলমান হয়ে যাবে। তিনিই দাজ্জালকে হত্যা করবেন, তাঁর যুগেই ইয়া'জুজ ও মা'জুজ ও তাদের ফিতনা-ফাসাদের প্রকাশ ঘটবে এবং তাঁর বদ্দুআতে তারা বিনাশ ও ধ্বংস হয়ে যাবে।

[২] অর্থাৎ, আল্লাহ তাআলা মহাপরাক্রমশালী ও বিজয়ী, তাঁর ইচ্ছাকে কেউ রদ্দ করতে পারে না। যে তাঁর আশ্রয়ে চলে আসবে, তার বিরুদ্ধে যে যতই ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত করুক না কেন, তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। তিনি হচ্ছেন মহাপ্রজ্ঞাময়, তাঁর প্রতিটি কাজের ভিতরে হিকমত, যুক্তি ও নিগূঢ় রহস্য বিদ্যমান রয়েছে।