Skip to main content

সূরা আল মা'আরিজ শ্লোক 40

فَلَآ
অতএব, না
أُقْسِمُ
আমি কসম করছি যে
بِرَبِّ
রবের
ٱلْمَشَٰرِقِ
উদয়স্থল
وَٱلْمَغَٰرِبِ
ও অস্তাচলসমূহের
إِنَّا
নিশ্চয় আমরা
لَقَٰدِرُونَ
সক্ষম

তাফসীর তাইসীরুল কুরআন:

আমি শপথ করছি উদয়স্থানসমূহের ও অস্তাচলসমূহের রব্বের-আমি অবশ্যই সক্ষম,

1 আহসানুল বায়ান | Tafsir Ahsanul Bayaan

আমি শপথ করছি উদয়াচল ও অস্তাচল-সমূহের[১] অধিকর্তার! নিশ্চয়ই আমি সক্ষম--

[১] প্রতিদিন সূর্য পূর্বের ভিন্ন ভিন্ন স্থান থেকে উদয় হয় এবং তা পশ্চিমে ভিন্ন ভিন্ন স্থানে অস্ত যায়। এই হিসাবে উদয়াচলও অনেক এবং অস্তাচলও। বিস্তারিত জানার জন্য সূরা 'সাফফাত ৩৭;৫ নং আয়াত দ্রষ্টব্য।

2 আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া | Tafsir Abu Bakr Zakaria

অতএব আমি শপথ করছি উদয়াচলসমূহ এবং অস্তাচলসমূহের রবের – অবশ্যই আমরা সক্ষম [১]

[১] এখানে মহান আল্লাহ নিজেই নিজের সত্তার শপথ করেছেন। “উদয়াচলসমূহ ও অস্তাচলসমূহ” এ শব্দ ব্যবহারের কারণ হলো, গোটা বছরের আবর্তন কালে সূর্য প্রতিদিনই একটি নতুন কোণ থেকে উদিত হয় এবং একটি নতুন কোণে অস্ত যায়। তাছাড়াও ভূপৃষ্ঠের বিভিন্ন অংশে সূর্য ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ক্রমাগত উদিত ও অস্তমিত হতে থাকে। এ হিসেবে সূর্যের উদয় হওয়ার ও অস্ত যাওয়ার স্থান একটি নয়, অনেক। আরেক হিসেবে উত্তর ও দক্ষিণ দিকের তুলনায় একটি দিক হলো পুর্ব এবং আরেকটি দিক হলো পশ্চিম। তাই কোন কোন আয়াতে مشرق ও مغرب শব্দ একবচন ব্যবহৃত হয়েছে। [সূরা আশ- শু‘আরা; ২৮, ও সূরা আল-মুয্যাম্মিল; ১৯] আরেক বিচারে পৃথিবীর দু‘টি উদয়াচল এবং দু‘টি অস্তাচল আছে। কারণ পৃথিবীর এক গোলার্ধে যখন সূর্য অস্ত যায় তখন অপর গোলার্ধে উদিত হয়। এ কারণে কোন কোন আয়াতে বলা হয়েছে مشرقين ও مغربين [সূরা আর-রাহমান; ১৭] [দেখুন; আদ্ওয়াউল বায়ান]

3 আল-বায়ান ফাউন্ডেশন | Tafsir Bayaan Foundation

অতএব, আমি উদয়স্থল ও অস্তাচলসমূহের রবের কসম করছি যে, আমি অবশ্যই সক্ষম!

4 মুহিউদ্দীন খান | Muhiuddin Khan

আমি শপথ করছি উদয়াচল ও অস্তাচলসমূহের পালনকর্তার, নিশ্চয়ই আমি সক্ষম!

5 জহুরুল হক | Zohurul Hoque

কিন্তু না, আমি উদয়াচলের ও অস্তাচলের প্রভুর নামে শপথ করছি যে আমরা আলবৎ সমর্থ --