Skip to main content
وَقَدْ
এবং নিশ্চয়
أَضَلُّوا۟
তারা পথভ্রষ্ট করেছে
كَثِيرًاۖ
অনেককে
وَلَا
এবং না
تَزِدِ
বারাবেন
ٱلظَّٰلِمِينَ
জালেমদেরকে
إِلَّا
ছাড়া
ضَلَٰلًا
পথভ্রষ্টতা"

তাফসীর তাইসীরুল কুরআন:

তারা গুমরাহ করেছে অনেককে, তুমি যালিমদের গুমরাহী ছাড়া আর কিছুই বৃদ্ধি করো না।

1 আহসানুল বায়ান | Tafsir Ahsanul Bayaan

তারা অনেককে বিভ্রান্ত করেছে; [১] সুতরাং অনাচারীদের বিভ্রান্তি ব্যতীত আর কিছুই বৃদ্ধি করো না।’

[১] أَضَلُّوا ক্রিয়ার কর্তা (তারা) হল নূহ (আঃ)-জাতির মান্য লোকেরা। অর্থাৎ, তারা বহু সংখ্যক লোককে ভ্রষ্ট করেছিল। উদ্দেশ্য হল, উল্লিখিত ঐ পাঁচ নেক লোকের প্রতিমা। জাতির ভ্রষ্টতায় তাঁদের হাত না থাকলেও তাঁদেরকে কেন্দ্র করেই লোকেরা ভ্রষ্ট হয়েছিল। আর সে জন্যই ক্রিয়ার সম্বন্ধ তাঁদের সাথে জুড়ে দেওয়া হয়েছে। যেমন, ইবরাহীম (আঃ)-ও বলেছিলেন, رَبِّ إِنَّهُنَّ أَضْلَلْنَ كَثِيرًا مِنَ النَّاسِ "হে আমার পালনকর্তা! ওরা অনেক মানুষকে বিপথগামী করেছে।" (সূরা ইবরাহীম ১৪;৩৬ আয়াত)

2 আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া | Tafsir Abu Bakr Zakaria

‘বস্তুত তারা অনেককে বিভ্রান্ত করেছে; কাজেই আপনি যালিমদের বিভ্রান্তি ছাড়া আর কিছুই বৃদ্ধি করবেন না [১]।’

[১] অর্থাৎ এই যালেমদের পথভ্রষ্টতা আরও বাড়িয়ে দিন। এখানে প্রশ্ন হয় যে জাতিকে সৎপথ প্রদর্শন করা রাসূলগণের কর্তব্য। নূহ্ আলাইহিস্ সালাম তাদের পথভ্রষ্টতার দো‘আ করলেন কিভাবে? জওয়াব এই যে, প্রকৃতপক্ষে নূহ্ আলাইহিস্ সালাম দীর্ঘকাল তাদের মাঝে থেকে বুঝে গিয়েছিলেন যে, এখন তাদের মধ্যে কেউ ঈমান আনবে না। সেমতে পথভ্রষ্টতা ও কুফরের উপর তাদের মৃত্যু নিশ্চিত ছিল। নূহ্ আলাইহিস্ সালাম তাদের পথভ্রষ্টতা বাড়িয়ে দেয়ার দো‘আ করলেন যাতে সত্বরই তারা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। [দেখুন, আয়সারুত তাফসীর]

3 আল-বায়ান ফাউন্ডেশন | Tafsir Bayaan Foundation

‘বস্তুত তারা অনেককে পথভ্রষ্ট করেছে, আর (হে আল্লাহ) আপনি যালিমদেরকে ভ্রষ্টতা ছাড়া আর কিছুই বাড়াবেন না’।

4 মুহিউদ্দীন খান | Muhiuddin Khan

অথচ তারা অনেককে পথভ্রষ্ট করেছে। অতএব আপনি জালেমদের পথভ্রষ্টতাই বাড়িয়ে দিন।

5 জহুরুল হক | Zohurul Hoque

আর তারা অনেককে পথভ্রষ্ট করেই ফেলেছে। আর তুমি অন্যায়াচারীদের বিভ্রান্তি ছাড়া আর কিছুই বাড়াচ্ছ না!