Skip to main content

اِنْ نَّشَأْ نُنَزِّلْ عَلَيْهِمْ مِّنَ السَّمَاۤءِ اٰيَةً فَظَلَّتْ اَعْنَاقُهُمْ لَهَا خَاضِعِيْنَ   ( الشعراء: ٤ )

If
إِن
যদি
We will
نَّشَأْ
আমরা চাইতাম
We can send down
نُنَزِّلْ
অবতীর্ণ করতাম আমরা
to them
عَلَيْهِم
উপর তাদের
from
مِّنَ
হ'তে
the sky
ٱلسَّمَآءِ
আকাশ
a Sign
ءَايَةً
(এমন) কোনো নিদর্শন
so would bend
فَظَلَّتْ
ফলে হয়ে পড়তো
their necks
أَعْنَٰقُهُمْ
ঘাড়গুলো তাদের
to it
لَهَا
প্রতি তাঁর
(in) humility
خَٰضِعِينَ
অবনত

তাফসীর তাইসীরুল কুরআন (Taisirul Quran):

আমি ইচ্ছে করলে তাদের কাছে আসমান থেকে এমন নিদর্শন পাঠাতাম যে তার সামনে তাদের মাথা নত হয়ে যেত (অর্থাৎ তারা ঈমান আনতে বাধ্য হত)।

English Sahih:

If We willed, We could send down to them from the sky a sign for which their necks would remain humbled.

1 Tafsir Ahsanul Bayaan

আমি ইচ্ছা করলে আকাশ হতে ওদের নিকট এক নিদর্শন প্রেরণ করতে পারি, ফলে তার প্রতি তাদের ঘাড় নত হয়ে পড়বে।[১]

[১] অর্থাৎ, যাকে মান্য না করে ও যার উপর ঈমান না এনে কোন উপায় থাকবে না। কিন্তু এরূপ করলে বাধ্য করার প্রশ্ন উঠত। যেহেতু আমি মানুষকে ইচ্ছা ও এখতিয়ারের স্বাধীনতা দান করেছি; যাতে তাদের পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে। সেই কারণে আমি এ ধরনের নিদর্শন অবতীর্ণ করা হতেও বিরত থেকেছি; যাতে আমার নিয়ম প্রভাবিত না হয়। আর শুধুমাত্র নবী-রসূল প্রেরণ ও কিতাসমূহ অবতীর্ণ করাই যথেষ্ট হয়েছে।