Skip to main content
ARBNDEENIDTRUR

সূরা আন নিসা শ্লোক 117

إِن
না
يَدْعُونَ
তারা ডাকে
مِن
(থেকে)
دُونِهِۦٓ
তাঁকে ছাড়া
إِلَّآ
কিন্তু
إِنَٰثًا
দেবীদেরকে
وَإِن
এবং না
يَدْعُونَ
তারা ডাকে
إِلَّا
এছাড়া
شَيْطَٰنًا
শয়তানকে
مَّرِيدًا
বিদ্রোহী

তাফসীর তাইসীরুল কুরআন:

তারা আল্লাহকে ছেড়ে শুধু কতকগুলো দেবীরই পূজা করে, তারা কেবল আল্লাহদ্রোহী শায়ত্বনের পূজা করে।

আহসানুল বায়ান

তাঁর (আল্লাহর) পরিবর্তে তারা কেবল নারীদেরকে আহবান (দেবীদের পূজা) করে[১] এবং তারা কেবল বিদ্রোহী শয়তানেরই পূজা করে। [২]

[১] إِنَاثٌ (নারী) বলতে হয় সেই মূর্তি বা দেবীগুলোকে বুঝানো হয়েছে, যাদের নাম ছিল স্ত্রীবাচক। যেমন, উয্যা, মানাত, নায়েলা ইত্যাদি। অথবা এ থেকে ফিরিশতাদেরকে বুঝানো হয়েছে। কেননা, আরবের মুশরিকরা ফিরিশতাদেরকে আল্লাহর বেটী গণ্য করত এবং তাদের ইবাদত করত।

[২] মূর্তি, ফিরিশতা বা অন্য কোন সত্তার ইবাদত করার মানেই হল প্রকৃতার্থে শয়তানের ইবাদত করা। কারণ, শয়তানই মানুষকে আল্লাহ থেকে সরিয়ে অন্যের আস্তানা ও চৌকাঠে সিজদায় ঝুঁকিয়ে দেয়। পরের আয়াতে এ কথাই আলোচিত হয়েছে।

আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

তাঁর পরিবর্তে তারা দেবীরই পূজা করে এবং বিদ্রোহী শয়তানেরই পূজা করে [১]।

[১] বর্তমান পৃথিবীতে ইয়াযিদী ফের্কা ছাড়া শয়তানকে কেউ আনুষ্ঠাকিভাবে পূজা করে না বা তাকে সরাসরি আল্লাহর মর্যাদায় অভিষিক্ত করে না। এ অর্থে কেউ শয়তানকে মা’বুদ বানায় না একথা সত্য; তবে নিজের প্রবৃত্তি, ইচ্ছা-আকাংঙ্ক্ষা ও চিন্তা-ভাবনার লাগাম শয়তানের হাতে তুলে দিয়ে যেদিকে সে চালায় সেদিকেই চলা এবং এমনভাবে চলা যেন সে শয়তানের বান্দা ও শয়তান তার প্রভু- এটাই তো শয়তানকে মা’বুদ বানাবার একটি পদ্ধতি। এ থেকে জানা যায়, বিনা বাক্য ব্যয়ে নির্দেশ মেনে চলা এবং অন্ধভাবে কারো হুকুম পালন করার নামই ইবাদাত। আর যে ব্যক্তি এভাবে কারো আনুগত্য করে, সে আসলেই তার ইবাদাত করে।

আল-বায়ান ফাউন্ডেশন

আল্লাহ ছাড়া তারা শুধু নারীমূর্তিকে ডাকে এবং কেবল* অবাধ্য শয়তানকে ডাকে।

* অর্থাৎ উপাসনা করে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা আল্লাহকে পরিত্যাগ করে শুধু নারীর আরাধনা করে এবং শুধু অবাধ্য শয়তানের পূজা করে।

জহুরুল হক

তাকে আল্লাহ্ ধিক্কার দিয়েছেন। আর সে বলেছিল -- ''আমি নিশ্চয় তোমার বান্দাদের একটি নির্ধারিত অংশ গ্রহণ করবো” ।