Skip to main content

فَاِنْ كَذَّبُوْكَ فَقُلْ رَّبُّكُمْ ذُوْ رَحْمَةٍ وَّاسِعَةٍۚ وَلَا يُرَدُّ بَأْسُهٗ عَنِ الْقَوْمِ الْمُجْرِمِيْنَ   ( الأنعام: ١٤٧ )

But if
فَإِن
অতঃপর যদি
they deny you
كَذَّبُوكَ
তোমাকে তারা মিথ্যা প্রতিপন্ন করে
then say
فَقُل
তবে বলো
"Your Lord
رَّبُّكُمْ
"রব তোমাদের
(is the) Possessor
ذُو
অধিকারী
(of) Mercy
رَحْمَةٍ
দয়ার
Vast
وَٰسِعَةٍ
সুপ্রশস্ত ও ব্যাপক
but not
وَلَا
কিন্তু না
will be turned back
يُرَدُّ
ফিরানো যায়
His wrath
بَأْسُهُۥ
শাস্তি তাঁর
from
عَنِ
থেকে
the people
ٱلْقَوْمِ
সম্প্রদায়ের
(who are) criminals"
ٱلْمُجْرِمِينَ
(যারা) অপরাধী"

তাফসীর তাইসীরুল কুরআন (Taisirul Quran):

অতঃপর যদি তারা তোমাকে মিথ্যে মনে করে তবে তাদেরকে বল, তোমাদের প্রতিপালক প্রশস্ত দয়ার মালিক, (কিন্তু তাওবা না করে অপরাধীই থেকে গেলে) তবে অপরাধী সম্প্রদায়ের উপর হতে তাঁর শাস্তি রদ হয় না।

English Sahih:

So if they deny you, [O Muhammad], say, "Your Lord is the possessor of vast mercy; but His punishment cannot be repelled from the people who are criminals."

1 Tafsir Ahsanul Bayaan

তবুও যদি তারা তোমাকে মিথ্যাজ্ঞান করে তাহলে বল, ‘তোমাদের প্রতিপালক ব্যাপক করুণাময়।[১] আর অপরাধী সম্প্রদায়ের উপর হতে তাঁর শাস্তি রদ হয় না।’[২]

[১] এই কারণেই মিথ্যাজ্ঞান সত্ত্বেও শাস্তি দেওয়ার ব্যাপারে তিনি তাড়াহুড়া করেন না।

[২] অর্থাৎ, অবকাশ দেওয়ার অর্থ এই নয় যে, আল্লাহর শাস্তি থেকে সব সময়ের জন্য সুরক্ষিত থাকবে। তিনি যখনই শাস্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেবেন, তখন তা কেউ রোধ করতে পারবে না।